(১) উচ্চস্বরে আযান দেওয়া।[1] عن عبد الله بن زيد رضي الله عنه قال: … فأخبرته بما رأيت فقال: إنها لرؤيا حق إن شاء الله فقم مع بلال فألق عليه ما رأيت فليؤذن به فإنه أندى صوتا منك (سنن أبي داود، الرقم: 499)[2] হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন, …
Read More »রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম)-এর জন্য হযরত আবু উবাইদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিজের দাঁত কুরবানী করা
সমগ্র উম্মাহর উপর সাহাবা (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)- দের শ্রেষ্ঠত্ব হযরত আবু সাঈদ খুদরি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেন: “আমার সাহাবায়ে কেরামকে গালি দিও না! আমি সেই সত্তার নামে শপথ করছি যার হাতে আমার প্রাণ নিহিত, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পর্বতের সমান স্বর্ণও দান করে, তবে তা …
Read More »আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম) সম্পর্কে আকীদা – দ্বিতীয় খন্ড
(১) আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম)-দের মোট সংখ্যা একমাত্র আল্লাহ তাআ’লা জানেন। আমরা আল্লাহ তাআ’লার সকল নবীকে বিশ্বাস করি, তাদের সংখ্যা যাই হোক না কেন।[1] (২) নবীর নবুওয়াতের চিহ্ন হিসাবে, আল্লাহ তাআ’লা নবীকে কিছু মু’জিযা (অলৌকিক ঘটনা) সম্পাদন করার অনুমতি দেন। কিন্তু, এটা বোঝা উচিত যে নবী একজন মানুষ, এবং তিনি নিজের …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – ছষ্ঠ খন্ড
আযান দেওয়ার সুন্নত পদ্ধতি – প্রথম খন্ড (১) শুধুমাত্র আল্লাহ তাআ’লাকে খুশি করার উদ্দেশ্যে আযান দেওয়া। عن ابن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من أذن سبع سنين محتسبا كتبت له براءة من النار (سنن الترمذي، الرقم: 206)[1] হযরত ইবনে আব্বাস (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন …
Read More »হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) সম্পর্কে একজন আনসারী মহিলার উদ্বেগ
কুরআন মাজিদে সাহাবা (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)- দের প্রশংসা আল্লাহ তাআ’লা বলেন: “মুহাম্মদ আল্লাহর রসুল; এবং যারা তার (তার সাহাবা) সাথে আছে তারা কাফেরদের বিরুদ্ধে কঠোর, নিজেদের মধ্যে সহানুভূতিশীল। আপনি তাদেরকে রুকু এবং সেজদায় আল্লাহর অনুগ্রহ এবং [তার] সন্তুষ্টি কামনা করতে দেখতে পাবেন। তাদের চেহারায় সেজদার প্রভাব তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।”[1] হযরত রসুলুল্লাহ …
Read More »আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম) সম্পর্কে আকীদা – প্রথম খন্ড
(১) আল্লাহ তাআ’লা মানবজাতিকে সরল পথে পরিচালিত করার জন্য পৃথিবীতে বহু আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম) (নবী) প্রেরণ করেছেন।[1] (২) নবুওয়াত দান করা হয় আল্লাহ তাআ’লার পবিত্র বাছাই দ্বারা। আল্লাহ তাআ’লা তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা এই মহান কাজের জন্য মনোনীত করেন। নবুওয়াত কোন ব্যক্তি তার নিজ কর্ম ও প্রচেষ্টা দ্বারা …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – পঞ্চম খন্ড
মুয়াজ্জিনের গুণাবলী (১) মুয়াজ্জিন পুরুষ হতে হবে।[1] عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: ليس على النساء أذان ولا إقامة (السنن الكبرى للبيهقي، الرقم: 1996)[2] এটি বর্ণিত আছে যে, হযরত ইবনু উমার (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) বলেন, “আযান ও ইকামাত দেওয়া মহিলাদের দায়িত্ব নয়।” (২) তাকে মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে।[3] (৩) তার …
Read More »রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) এর কঠোর সতর্কবাণী
নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেনঃ “আল্লাহকে ভয় করো! আমার সাহাবাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর! আমার পর (আমার ইন্তেকালের পর) তাদেরকে সমালোচনার লক্ষ্যে পরিণত করো না। যে তাদের ভালোবাসে, সে আমার প্রতি তার ভালোবাসার কারণে তাদের ভালোবাসে, আর যে তাদের ঘৃণা করে, সে আমার প্রতি তার ঘৃণার কারণে তাদের ঘৃণা করে। …
Read More »হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) সম্পর্কে আকীদা – দ্বিতীয় খন্ড
(১) আল্লাহ তাআ’লা কিছু আম্বিয়াকে অন্যদের তুলনায় উচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। পৃথিবীতে যত রসুল এবং আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম) এসেছেন তাদের মধ্যে হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) ছিলেন মর্যাদায় সর্বশ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) কে আল্লাহ তাআ’লা সকল রাসুল ও আম্বিয়াদের নেতা হওয়ার মর্যাদা দান করেছিলেন।[1] …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – চতুর্থ খন্ড
মুয়াজ্জিনের ফজিলত – তৃতীয় খন্ড (১) যারা আযান দেয় তাদের জন্য হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাগফেরাতের দুআ করেন। عن أبى هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: الإمام ضامن والمؤذن مؤتمن اللهم أرشد الأئمة واغفر للمؤذنين (سنن أبي داود، الرقم: 517)[1] হযরত আবু হুরায়রা …
Read More »
Alislaam – বাংলা