হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) এর সামনে ফেরেশতাদের হায়া প্রদর্শন করা

রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) একবার উল্লেখ করেছিলেন: رحم الله عثمان، تستحييه الملائكة (سنن الترمذي، الرقم: ٣٧١٤) আল্লাহ উসমানের প্রতি রহম করুন, (তিনি এমন একজন ব্যক্তি যে) ফেরেশতারা তার সামনে হায়া প্রদর্শন করে। (সুনানে তিরমিযী #৩৭১৪) আখেরাতে জবাবদিহিতার উদ্বেগ একবার হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) তাঁর পশুর খোঁয়াড়ে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর …

Read More »

পুরুষের নামাজ – প্রথম খন্ড

একজন মুসলমানের জীবনে নামাজের যে উচ্চ অবস্থান রয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। কিয়ামতের দিন কোন ব্যক্তিকে ইহা সম্পর্কে সর্বপ্রথম প্রশ্ন করা হবে এটাই তার গুরুত্বের যথেষ্ট প্রমাণ। হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন: إن أول ما يحاسب الناس به يوم القيامة من أعمالهم الصلاة قال: يقول ربنا جل وعز …

Read More »

উত্তেজনায় উহুদ পাহাড়ের কাঁপা ‎

صعد النبي صلى الله عليه وسلم جبل أحد ومعه سيدنا أبو بكر رضي الله عنه وسيدنا عمر رضي الله عنه وسيدنا عثمان رضي الله عنه. فرجف أحد (من شدة الفرح بوضع هؤلاء الأجلاء أقدامهم عليه)، فضرب سيدنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الجبل برجله وقال: اسكن أحد، فليس عليك …

Read More »

মসজিদের সুন্নাত এবং আদাব – সপ্তদশ খন্ড

(১) মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় মাসনুন দোয়া পাঠ করা।[1] প্রথম দোয়া: بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰى رَسُولِ اللهِ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ আল্লাহ তাআ’লার নামে। হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) এর উপর শান্তি এবং সালাম বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ তাআ’লা আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ চাই।[2] দ্বিতীয় দোয়া: …

Read More »

হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) এর শাহাদাতের ভবিষ্যতবাণী

রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) একটি নির্দিষ্ট ফিতনার কথা উল্লেখ করে হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে বলেছেন: يقتل هذا فيها مظلوما لعثمان (سنن الترمذي، الرقم: ٣٧٠٨)  “এই ব্যক্তিকে ফিতনায় অত্যাচারে হত্যা করা হবে।” (তিরমিযী #৩৭০৮) হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-এর আখেরাতের ভয় হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-এর আজাদকৃত ক্রীতদাস হযরত হানি (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ …

Read More »

মসজিদের সুন্নাত এবং আদাব – ষোড়শ খণ্ড

(১) যদি কেউ মসজিদে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয় তাহলে তার মসজিদে নড়াচড়া করা এবং অন্য জায়গায় বসার মাধ্যমে স্থান পরিবর্তন করা, তবে এটি যেন এমন সময় না হয় যখন খুতবা চলছে। অন্য জায়গায় নড়াচড়ার মাধ্যমে মানুষের তন্দ্রা দূর হবে। عن ابن عمر رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه …

Read More »

হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) এর চমৎকার চরিত্র

রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) তাঁর কন্যা হযরত রুকাইয়া (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহা)-কে সম্বোধন করে বললেন: يا بنية: أحسني إلى أبي عبد الله (عثمان)، فإنه أشبه أصحابي بي خلقا (المعجم الكبير للطبراني، الرقم: ٩٨) “হে আমার প্রিয় কন্যা! তোমার স্বামী উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-কে ভালোভাবে সেবা করো, কেননা সে আমার সকল সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে …

Read More »

মসজিদের সুন্নাত এবং আদাব – পঞ্চদশ খন্ড

(১) নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়া ছাড়াও মসজিদে কোনো অনুষ্ঠান থাকলে দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের জন্য মসজিদে যাওয়ার নিয়ত করা উচিত। যদি কারো দ্বীন শেখানোর সামর্থ্য থাকে তাহলে সুযোগ পেলেই মানুষকে দ্বীনের জ্ঞান শেখানোর জন্য মসজিদে আসার নিয়ত করা উচিত। عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى …

Read More »

উম্মতের সবচেয়ে বেশি হায়া সম্পন্ন ব্যক্তি

রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ وأصدقهم (أمتي) حياء عثمان (سنن الترمذي، الرقم: ٣٧٩١) “আমার উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হায়ার (লজ্জা এবং শালীনতার) অধিকারী হলেন উসমান বিন আফফান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)। (সুনানে তিরমিযী #৩৭৯১) হযরত উসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) এর হায়া হযরত আয়েশা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহা) নিম্নোক্ত বর্ণনা করেন: একবার, রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) …

Read More »

মসজিদের সুন্নাত এবং আদাব – চতুর্দশ খন্ড

(১) মসজিদ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সহায়তা করা।[1] عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أخرج أذى من المسجد بنى الله له بيتا في الجنة (سنن ابن ماجة، الرقم: 757)[2] হযরত আবু সাঈদ খুদরি (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু …

Read More »