শোকাহতকে সান্ত্বনা প্রদান
ইসলাম হলো সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও নিখুঁত জীবন ব্যবস্থা, যা মানুষের প্রতিটি প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়েছে। এটি শুধু মানুষের জীবনকালে ভালোবাসা ও শান্তির পথই দেখায়নি, বরং তার মৃত্যুর পরেও কীভাবে ভালোবাসা ও শান্তি প্রদর্শন করতে হয়, তাও দেখিয়েছে।
সুতরাং, হযরত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) তাঁর মহৎ শিক্ষার মাধ্যমে এবং তাঁর বরকতময় আদর্শের দ্বারা উম্মাহকে দেখিয়েছেন কীভাবে দুর্দশাগ্রস্ত শোকসন্তপ্তদের সান্ত্বনা ও স্বস্তি প্রদান করতে হয়।
হযরত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে সান্ত্বনা দেয়, সে শোকসন্তপ্ত ব্যক্তির অনুরূপ সওয়াব লাভ করবে (অর্থাৎ, শোকসন্তপ্ত ব্যক্তি তার কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করার জন্য যে সওয়াব পায়, সেই সওয়াব)।”[1]
অন্য একটি হাদিসে হযরত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “যে মুমিন তার মুসলিম ভাইকে কোনো বিপদের সময় সান্ত্বনা দেয়, আল্লাহ তা‘আলা তাকে কিয়ামতের দিনে সম্মানের পোশাকে ভূষিত করবেন।”[2]
[1] سنن الترمذي، الرقم: 1073، وقال هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث علي بن عاصم
[2] عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم يحدث عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه و سلم أنه قال ما من مؤمن يعزي أخاه بمصيبتة إلا كساه الله سبحانه من حلل الكرامة يوم القيامة (سنن ابن ماجة، الرقم: 1601، وقال العلامة ابن الملقن رحمه الله في تحفة المحتاج إلى أدلة المنهاج (1/615): رواه ابن ماجه بإسناد كل رجاله ثقات احتج بهم في الصحيح إلا رجلا واحدا وهو قيس أبو عمارة مولى الأنصار فذكره ابن حبان في ثقاته
Alislaam – বাংলা