(১) حَيَّ عَلٰى الصَّلَاة (হাইয়্যা আলাস সালাহ) বলার সময় ডানদিকে এবং حَيَّ عَلٰى الْفَلَاحْ (হাইয়্যা আলাল ফালাহ) বলার সময় বাম দিকে মুখ ফেরানো। حَيَّ عَلٰى الصَّلَاةْ (হাইয়্যা আলাস সালাহ) এবং حَيَّ عَلٰى الْفَلَاحْ (হাইয়্যা আলাল ফালাহ) বলার সময় আপনার বুক না ফেরানো।[1] عن عون بن أبي جحيفة عن أبيه قال: …
Read More »হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম)-এর প্রতি একজন সাহাবীর ভালোবাসা
মুহাজিরীন ও আনসার (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)–দের সম্মানিত অবস্থান আল্লাহ তাআ’লা বলেন: যারা ঈমান এনেছে এবং হিজরত করেছে (মুহাজিরগণ) এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে এবং যারা (আনসার) তাদেরকে (মুহাজিরদের) আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে, তারাই প্রকৃত ঈমানদার। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা এবং সম্মানজনক রিযিক।[1] হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম)-এর প্রতি একজন …
Read More »ফেরেশতাদের সম্পর্কে আকীদা – দ্বিতীয় খন্ড
(১) হযরত মিকাঈল (আলাইহিস সালাম) খাবার এবং বৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। অন্যান্য ফেরেশতারা তার অধীনে কাজ করে এবং মেঘ, সমুদ্র, নদী এবং বাতাস নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে। তিনি আল্লাহর কাছ থেকে আদেশ পান এবং তারপরে তার আদেশে থাকা অন্যান্য ফেরেশতাদের কাছে আদেশগুলি পৌঁছে দেন।[1] (২) হযরত ইজরাঈল (আলাইহিস সালাম)-কে আল্লাহ …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – অষ্টম খন্ড
(১) দাঁড়িয়ে আযান দেওয়া।[1] عبد الجبار بن وائل عن أبيه قال: حق وسنة أن لا يؤذن الرجل إلا وهو طاهر ولا يؤذن إلا وهو قائم (التلخيص الحبير، الرقم: 301)[2] আব্দুল জাব্বার বিন ওয়ায়িল (রহমতুল্লাহি আলাইহ) তার পিতা হযরত ওয়ায়িল (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, “ইহা সুন্নত থেকে প্রতিষ্ঠিত যে, মুয়াজ্জিনকে …
Read More »হযরত যায়েদ বিন দাসিনাহ (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-এর হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম)-এর প্রতি ভালোবাসা
সাহাবাগণ (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম) উম্মাহর জন্য কল্যাণের উৎস হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “আমার সাহাবাদের (আমার উম্মতের মধ্যে) উদাহরণ হল খাবারে লবণের মত। লবণ ছাড়া (খাওয়ার জন্য এবং স্বাদের জন্য) খাবার ভালো হবে না।”[1] হযরত যায়েদ বিন দাসিনাহ (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-এর হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম)-এর প্রতি ভালোবাসা কাফেররা যখন মহান …
Read More »ফেরেশতাদের সম্পর্কে আকীদা – প্রথম খন্ড
(১) ফেরেশতারা আল্লাহ তাআ’লার একটি নিষ্পাপ সৃষ্টি এবং তাদেরকে নূর থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। ফেরেশতারা আমাদের কাছে অদৃশ্য, এবং তারা পুরুষ বা মহিলা নয়। তারা সকল মানবিক চাহিদা যেমন খাওয়া, পান করা, ঘুমানো ইত্যাদি থেকে মুক্ত।[1] (২) আল্লাহ তাদেরকে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করার জন্য দিয়েছেন। আল্লাহ তাদেরকে যে কাজ করার …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – সপ্তম খন্ড
(১) উচ্চস্বরে আযান দেওয়া।[1] عن عبد الله بن زيد رضي الله عنه قال: … فأخبرته بما رأيت فقال: إنها لرؤيا حق إن شاء الله فقم مع بلال فألق عليه ما رأيت فليؤذن به فإنه أندى صوتا منك (سنن أبي داود، الرقم: 499)[2] হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন, …
Read More »রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম)-এর জন্য হযরত আবু উবাইদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিজের দাঁত কুরবানী করা
সমগ্র উম্মাহর উপর সাহাবা (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)- দের শ্রেষ্ঠত্ব হযরত আবু সাঈদ খুদরি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেন: “আমার সাহাবায়ে কেরামকে গালি দিও না! আমি সেই সত্তার নামে শপথ করছি যার হাতে আমার প্রাণ নিহিত, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পর্বতের সমান স্বর্ণও দান করে, তবে তা …
Read More »আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম) সম্পর্কে আকীদা – দ্বিতীয় খন্ড
(১) আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম)-দের মোট সংখ্যা একমাত্র আল্লাহ তাআ’লা জানেন। আমরা আল্লাহ তাআ’লার সকল নবীকে বিশ্বাস করি, তাদের সংখ্যা যাই হোক না কেন।[1] (২) নবীর নবুওয়াতের চিহ্ন হিসাবে, আল্লাহ তাআ’লা নবীকে কিছু মু’জিযা (অলৌকিক ঘটনা) সম্পাদন করার অনুমতি দেন। কিন্তু, এটা বোঝা উচিত যে নবী একজন মানুষ, এবং তিনি নিজের …
Read More »হযরত জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এবং হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) এর অভিশাপ
عن كعب بن عجرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: احضروا المنبر فحضرنا فلما ارتقى درجة قال: آمين فلما ارتقى الدرجة الثانية قال: آمين فلما ارتقى الدرجة الثالثة قال: آمين فلما نزل قلنا: يا رسول الله لقد سمعنا منك اليوم شيئا ما كنا نسمعه قال: …
Read More »
Alislaam – বাংলা