সাহাবা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)-এর মহান আত্মত্যাগ সম্পর্কে কুরআন কারীমের সাক্ষ্য আল্লাহ তাআ’লা উল্লেখ করেন: لَٰكِنِ الرَّسُولُ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ جَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ ۚ وَأُولَٰئِكَ لَهُمُ الْخَيْرَاتُ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ[1] কিন্তু রসুল এবং তার সাথে যারা ঈমান এনেছে, তারা তাদের ধন-সম্পদ এবং জীবন দিয়ে জিহাদ করেছে এবং তাদের জন্যই (সমস্ত) কল্যাণ …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – চতুর্দশ খন্ড
ফজরের আযান দেওয়ার পদ্ধতি যদি কেউ ফজরের আযান দেয়, তবে উপরে বর্ণিত পদ্ধতিতে আযান দেবে। পার্থক্য শুধু এই যে, حَيَّ عَلٰى الْفَلَاحْ (হাইয়া আলাল ফালাহ) বলার পর নিচের শব্দগুলো দুবার পড়বে:[1] اَلصَّلَاةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمْ ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম। عن محمد بن عبد الملك بن أبي محذورة عن أبيه عن …
Read More »হযরত বিলাল (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) মৃত্যুশয্যায়
সাহাবা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)-দের সম্মান করার জন্য রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) এর হুকুম قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أكرموا أصحابي، فإنهم خياركم، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم (مصنف عبد الرزاق، الرقم: ٢١٦٣٤) রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম)বলেন, “আমার সাহাবায়ে কিরামকে সম্মান করো; কারণ প্রকৃতপক্ষে তারাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম (এই …
Read More »কিয়ামতের দিন সম্পর্কে আকীদা – প্রথম খন্ড
(১) শুক্রবার কিয়ামত সংঘটিত হবে। এটাই হবে পৃথিবীর শেষ দিন। আল্লাহ তাআ’লা সমগ্র বিশ্বকে ধ্বংস করে দেবেন। আল্লাহ তাআ’লা ব্যতীত, মহাবিশ্ব কখন শেষ হবে তার সঠিক তারিখ কেউ জানে না।[1] (২) আল্লাহ তাআ’লা হযরত ইস্রাফিল (আলাইহিস সালাম)-কে শিং-এর মতো আকৃতির সূর (শিঙ্গা) ফুঁকতে নির্দেশ দেবেন। শিঙ্গার আওয়াজ শুরুতে মৃদু হবে, …
Read More »হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম)-এর জন্য সাহাবায়ে কেরাম (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)-এর কুরবানী।
আনসারদের জন্য রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খাস দুআ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসারদের জন্য এই বলে খাস দুআ করেন: اللهم اغفر للأنصار، ولأبناء الأنصار، وأبناء أبناء الأنصار (صحيح مسلم، الرقم: 2506) হে আল্লাহ! আনসার, আনসারদের সন্তান এবং আনসারদের নাতি-নাতনিদেরকে ক্ষমা করুন হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম)-এর জন্য সাহাবায়ে কেরাম …
Read More »তাকদীর (ভাগ্য) সম্পর্কে আকীদা
(১) তাকদীর বলতে আল্লাহ তাআ’লার নিশ্চিত এবং পূর্ণ জ্ঞানকে বোঝায়। অর্থাৎ, আল্লাহ তাআ’লা প্রত্যেক বস্তু এবং প্রত্যেক ঘটনা সম্পর্কে, তা ভালো হোক বা খারাপ হোক বা অতীত হোক, বর্তমান হোক বা ভবিষ্যত হোক, তার সংঘটিত হওয়ার আগে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখেন।[1] (২) আল্লাহ তাআ’লা মানুষকে ভালো কাজ বা খারাপ কাজ করার …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – ত্রয়োদশ খন্ড
আযানের শব্দের সঠিক উচ্চারণ আযান দেওয়ার সময় সকল শব্দ সঠিকভাবে উচ্চারণের চেষ্টা করা উচিত। এ প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে: (১) اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ পাঠ করার সময়, প্রথম أَكْبَرْ (আকবার)-এর ر (রা) অক্ষরটিকে اَللهُ (আল্লাহু) শব্দের সাথে যুক্ত না করে জযম (ــْـ) দিয়ে পড়া যেতে পারে, অথবা …
Read More »যারা সাহাবা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)-দের গালি দেয় তাদের জন্য ইসলামে কোন স্থান নেই।
উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিরা قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أمتي قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم (صحيح البخاري، الرقم: ٣٦٥٠) রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম হল আমার যুগের লোকেরা (আমার সাহাবাগণ), তারপর যারা তাদের পরে আসবে (তাবেয়ীন), তারপর যারা তাদের পরে আসবে (তাবে– …
Read More »পবিত্র গ্রন্থসমূহ সম্পর্কে আকীদা – দ্বিতীয় খন্ড
(১) কুরআন মাজিদ সর্বশেষ পবিত্র গ্রন্থ এবং হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল। কুরআন মাজিদ নাযিল হওয়ার মাধ্যমে অন্যান্য সকল আসমানী কিতাব রহিত হয়ে গেছে।[1] (২) আল্লাহ তাআ’লা কিয়ামত পর্যন্ত কুরআন মাজিদকে রক্ষা এবং সংরক্ষণ করার দায়িত্ব নিয়েছেন। তাই কুরআন মাজিদে কোনো পরিবর্তন বা বিকৃতি করা সম্ভব …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – দ্বাদশ খন্ড
আযানের শব্দ আযানে সাতটি বাক্য রয়েছে। সাতটি বাক্যাংশ নিচে ক্রমানুসারে উল্লেখ করা হলো: (১) প্রথম: اَللهُ أَكْبَرْ اللهُ أَكْبَرْ আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ। اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ। (২) দ্বিতীয়: أَشْهَدُ أَلَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهْ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তাআ’লা ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কোন মাবুদ নেই। …
Read More »