অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার ফজিলত
সত্তর হাজার ফেরেশতার দোয়া লাভ করা
হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকালে কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়, সত্তর হাজার ফেরেশতা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার উপর আল্লাহর রহমতের জন্য দোয়া করে, এবং যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়, সত্তর হাজার ফেরেশতা সকাল পর্যন্ত তার উপর আল্লাহর রহমতের জন্য দোয়া করে, এবং সে জান্নাতে একটি বাগান লাভ করবে।”[1]
জান্নাতে প্রাসাদ নির্মাণ
হযরত আবু হুরায়রা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়, আকাশ থেকে একজন ফেরেশতা ডেকে বলেন, ‘আল্লাহ আপনাকে স্বস্তি ও আরামে রাখুন। আপনার এই হাঁটা (আপনার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে এবং তার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করতে) কতই না উত্তম এবং (এই কাজের মাধ্যমে) আপনি (নিজের জন্য) জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেছেন।’”[2]
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন
হযরত আবু হুরায়রা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, ‘হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ ছিলাম, কিন্তু তুমি আমাকে দেখতে আসোনি।’ তারা উত্তর দেবে, ‘হে আল্লাহ, আপনি অসুস্থ হলে আমাদের পক্ষে আপনাকে দেখতে যাওয়া কী করে সম্ভব, অথচ আপনি তো বিশ্বজগতের রব? (অর্থাৎ, আপনি মানুষের মতো নন, যে কিনা অসুস্থ হয়)।’” আমি উত্তর দেব, ‘তোমরা কি জানো না যে আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এবং তোমরা তাকে দেখতে যাওনি? তোমরা কি জানো না যে, যদি তোমরা তাকে দেখতে যেতে, তবে তোমরা অবশ্যই আমাকে সেখানে উপস্থিত পেতে?’”[3]
[1] سنن الترمذي، الرقم: 969، وقال: هذا حديث حسن غريب
[2] سنن ابن ماجة، الرقم: 1443، سنن الترمذي، الرقم: 2008، وقال: هذا حديث غريب
[3] صحيح مسلم، الرقم: 2569
Alislaam – বাংলা