আযানের শব্দের সঠিক উচ্চারণ আযান দেওয়ার সময় সকল শব্দ সঠিকভাবে উচ্চারণের চেষ্টা করা উচিত। এ প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে: (১) اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ পাঠ করার সময়, প্রথম أَكْبَرْ (আকবার)-এর ر (রা) অক্ষরটিকে اَللهُ (আল্লাহু) শব্দের সাথে যুক্ত না করে জযম (ــْـ) দিয়ে পড়া যেতে পারে, অথবা …
Read More »Yearly Archives: 2022
যারা সাহাবা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)-দের গালি দেয় তাদের জন্য ইসলামে কোন স্থান নেই।
উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিরা قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أمتي قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم (صحيح البخاري، الرقم: ٣٦٥٠) রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম হল আমার যুগের লোকেরা (আমার সাহাবাগণ), তারপর যারা তাদের পরে আসবে (তাবেয়ীন), তারপর যারা তাদের পরে আসবে (তাবে– …
Read More »পবিত্র গ্রন্থসমূহ সম্পর্কে আকীদা – দ্বিতীয় খন্ড
(১) কুরআন মাজিদ সর্বশেষ পবিত্র গ্রন্থ এবং হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল। কুরআন মাজিদ নাযিল হওয়ার মাধ্যমে অন্যান্য সকল আসমানী কিতাব রহিত হয়ে গেছে।[1] (২) আল্লাহ তাআ’লা কিয়ামত পর্যন্ত কুরআন মাজিদকে রক্ষা এবং সংরক্ষণ করার দায়িত্ব নিয়েছেন। তাই কুরআন মাজিদে কোনো পরিবর্তন বা বিকৃতি করা সম্ভব …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – দ্বাদশ খন্ড
আযানের শব্দ আযানে সাতটি বাক্য রয়েছে। সাতটি বাক্যাংশ নিচে ক্রমানুসারে উল্লেখ করা হলো: (১) প্রথম: اَللهُ أَكْبَرْ اللهُ أَكْبَرْ আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ। اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ তাআ’লা সর্বশ্রেষ্ঠ। (২) দ্বিতীয়: أَشْهَدُ أَلَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهْ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তাআ’লা ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কোন মাবুদ নেই। …
Read More »উহুদে হযরত আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বীরত্ব
হুদাইবিয়ায় অংশগ্রহণকারী সাহাবা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)– দের উচ্চ অবস্থান আল্লাহ তাআ’লা বলেন: لَقَدْ رَضِىَ اللّٰهُ عَنِ المُؤمِنِيْنَ إِذْ يُبَايِعُوْنَكَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ فَعَلِمَ مَا فِىْ قُلُوْبِهِمْ فَأَنزَلَ السَّكِيْنَةَ عَلَيْهِم وَأَثَابَهُمْ فَتْحًا قَرِيْبًا (سورة الفتح: ٤٨) নিঃসন্দেহে, আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন (হে মুহাম্মাদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম)) যখন তারা (হুদাইবিয়ায়) গাছের নিচে …
Read More »পবিত্র গ্রন্থসমূহ সম্পর্কে আকীদা – প্রথম খন্ড
(১) আল্লাহ তাআ’লা বিভিন্ন আম্বিয়া (আলাইহিমুস সালাম)-এর উপর তাদের লোকদের হেদায়েতের জন্য অনেক আসমানী কিতাব এবং সহীফা নাযিল করেছেন। কুরআন মাজিদ এবং মুবারক আহাদিসে এই সমস্ত আসমানী কিতাব এবং সহীফা হতে কিছু আসমানী কিতাব এবং সহীফা সম্পর্কে আমাদের জানানো হয়েছে, আবার অন্য আসমানী কিতাব এবং সহীফা সম্পর্কে আমাদের জানানো হয়নি।[1] …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – একাদশ খন্ড
(১) যদি কেউ শহরের বাইরে এমন কোনো স্থানে থাকে যেখানে তার সাথে নামাজ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তি উপস্থিত না থাকে, তবে সে একা নামাজ আদায় করলেও সে যেন আযান ও ইকামাত দেয়। সে যদি আযান ও ইকামাত দেয় এবং তারপর সালাত আদায় করে, তাহলে মালাইকা (ফেরেশতা) তার সাথে নামাজ আদায় …
Read More »উহুদের যুদ্ধে হযরত তালহা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)
সাহাবা (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহুম)-দের জাহান্নামের আগুন থেকে সুরক্ষিত থাকা হযরত জাবির (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেন, “জাহান্নামের আগুন সেই মুসলমানকে (সাহাবীকে) স্পর্শ করবে না যে আমাকে দেখেছে এবং সেই মুসলমানকেও (তাবিঈকে) স্পর্শ করবে না যে তাদেরকে দেখেছে যারা আমাকে দেখেছে (সাহাবায়ে কেরামকে)।”[1] উহুদের যুদ্ধে হযরত তালহা …
Read More »ফেরেশতাদের সম্পর্কে আকীদা – চতুর্থ খন্ড
(১) প্রত্যেক মুসলমানের সাথে একজন ফেরেশতা এবং শয়তান থাকে। ফেরেশতা তাকে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করে এবং শয়তান তাকে মন্দ কাজের প্রতি উৎসাহিত করে।[1] (২) কুরআন মাজিদ ও মুবারক হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন ফেরেশতাদের বিভিন্ন কাজ ও দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।[2] (৩) কিছু ফেরেশতা জান্নাতের দায়িত্বে …
Read More »আযান এবং ইকামতের সুন্নত এবং আদব – দশম খন্ড
(১) আযানের পর এবং আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে যে দুআ করা হয় তা কবুল হয়। عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: الدعاء لا يرد بين الأذان والإقامة (سنن الترمذي، الرقم: 212)[1] হযরত আনাস (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)বর্ণনা করেন যে, হযরত রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু …
Read More »